২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির টিসি কার্যক্রম আগামি ফেব্রুয়ারী মাসে শুরু হতে পারে, ওয়েবসাইটের কাজ চলমান, ধন্যবাদ।

President Message

কামাল হোসেন পাটোয়ারী

প্রতিষ্ঠাতা

পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত দেশ ।সেই লক্ষে সরকারের রুপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ন করে রুপকল্প ২০৪১ প্রনয়ন করেছে। গ্রাম হবে শহর , শহর হবে মহানগর। হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজ আদর্শ জাতি গঠনে দীর্ঘদিন ধরে আগ্রনি ভূমিকা পালন করে আসছে সেই ধারাবাহিকতাই আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রমকে আরো তরান্বিত করতে যাচ্ছে ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে এতে আমি আনন্দিত গর্বিত সেমিস্টার পদ্দতিতে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানটিতে উন্নত পাঠদান লেসন প্ল্যান তৈরির মাধ্যমে শিক্ষক মন্ডলি নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন আধুনিক মাল্টিমিডিয়া নিভর শ্রেণী কক্ষ ভার্চুয়াল সিস্টেম পাঠদান করায় অনলাইন স্কুল হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে মানব কল্যাণে শিক্ষা এবং বিশ্বায়নের যুগে প্রতিযোগিতার মোকাবিলায় শিক্ষায় একমাত্র সোপান

মান্যবর .. ঐকান্তিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিদ্যালয়ের অবকাঠামুর তৈরি করা শিক্ষক কর্মচারীর নিয়মিত বেতন/ ভাতা প্রদান সময়ের দাবি , বিদ্যালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ শিক্ষক , শিক্ষিকা ,শিক্ষার্থী অভিভাবক সহ সকলকে জানাই আন্তরিক ছালাম শুভেচ্চা। 

  • ধন্যবাদান্তে,
  • কামাল হোসেন পাটোয়ারী
  • প্রতিষ্ঠাতা
  • হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজ

আব্দুল মমিন পাটোয়ারী

সভাপতি

আলহামদুলিল্লাহ্,
মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া তিনি আমাদের দোয়া কবুল করেছেন। অবশেষে সবার অক্লান্ত পরিশ্রম ও আমার স্নেহের ভাইয়ের অর্থায়নে আজ হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজ প্রতিষ্ঠিত।
পবিত্র কোরআনের শুরুতে আল্লাহ পাক বলেছেন “পাঠ করুন আপনার প্রতিপালকের নামে, যিনি আপনাকে সৃষ্টি করেছেন।” (সুরা আলাক)।
রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন “তোমরা তোমাদের সন্তানদের শিক্ষা দাও। কেননা তারা এমন এক যুগে বসবাস করার জন্য সৃষ্টি হয়েছে, যা তোমাদের যুগ নয়।”
হরিশপুরা একটি প্রাচীন জনপদ। এর আশেপাশে একটি বিশাল অঞ্চল জুড়ে কয়েক লক্ষ মানুষের বসবাস। কিন্তু এই জনপদে কোন কলেজ না থাকায় দীর্ঘদিন যাবত এই অঞ্চলের তরুণ-তরুণীরা উচ্চ শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল। আমি যখন উচ্চ মাধ্যমিক এর ছাত্র তখনই এ বিষয়টি আমাকে ভাবিয়ে তোলে। কিন্তু আর্থিক সীমাবদ্ধতা ও অন্যান্য কারণে আমার পক্ষে তখন কলেজ প্রতিষ্ঠা করার মত বিশাল কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব ছিল না। বিলম্ব হলেও আমার সেই মনোবাসনা পূরণ হয়েছে। আমার কনিষ্ঠ ভ্রাতা কামাল হোসেন পাটোয়ারীর অর্থায়নে বিশাল মাঠকে সামনে রেখে সুদৃশ্য বহুতল ভবনে হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

আমি অত্র এলাকার সর্বস্তরের জনগণকে আহ্বান জানাই “আসুন আমাদের সন্তানদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করি।” দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই হাতে হাত রেখে একসাথে কাজ করি। আল্লাহ আমাদের সহায় হক। 

  • ধন্যবাদান্তে,
  • আব্দুল মমিন পাটোয়ারী
  • সভাপতি
  • হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজ

Principal Message

মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

অধ্যক্ষ

কমিল্লা জেলার বরুড়া থানায় অত্যান্ত মনোরম পরিবেশে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের মহান ব্রত নিয়ে ২০২৩ খিষ্টাব্দে হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়ে এই দেশের উ”চ শিক্ষায় অব্যাহতভাবে অবদান রেখে চলেছে। প্রতিষ্ঠানটি অত্র এলাকার রত্ন আমেরিকান সিটিজেনশীপ, কর্মবীর ও শিক্ষানুরাগী জনাব কামাল হোসেন পাটোয়ারী প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানের ডোনেটর জনাব কামাল হোসেন পাটোয়ারীরর অক্লান্ত পরিশ্রম এবং শিক্ষার প্রসারে সারাজীবনের লালিত স্বপ্ন আজ পরিপূর্ণতার দ্বারপ্রান্তে যথাযথ মানসম্মত শিক্ষা বিস্তারে অব্যাহত অবদান রেখে সকল মহলের সুদৃষ্টি অর্জনে সক্ষম। প্রতিষ্ঠানটি আলো ছড়া”েছ এবং আলোকিত মানুষ তৈরি করছে।
সুশৃঙ্খল ও নিবিড় নিয়মানুবর্তিতার মাধ্যমে কর্মযজ্ঞ পরিচালনার কারনেই হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজ ইতোমধ্যে অত্র উপজেলাসহ পার্শ্ববর্তী করেয়কটি উপজেলার সেরা প্রতিষ্ঠানের ¯’ান নিতে সক্ষম হয়েছে। মনোরম পরিবেশ, সুদর্শন শ্রেণিকক্ষ, একাধিক বিজ্ঞানাগার, আইসিটি ল্যাব, মাল্টিমিডিয়া শেণিকক্ষ, ল্যাংগুয়েজ ক্লাব, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ইত্যাদিতে স্বয়ংসম্পন্ন প্রতিষ্ঠনটি সত্যিই আধুনিক জ্ঞান ভান্ডারের জায়গা।

  • ধন্যবাদান্তে,
  • মো: ইব্রাহিম হোসেন
  • অধ‌্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত)
  • হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজ

Our College History

হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি/ইতিহাস

ছায়া সুনিবিড় বৃক্ষলতা বেষ্টিত হরিশপুরা এক প্রাচীন জনপদ। ছবির মত এই গ্রামটির আশেপাশে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে কয়েক লক্ষ মানুষের বসবাস। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর গত ১০ই মার্চ ২০২৩ তারিখে ভিত্তিপ্রস্তর ¯’াপনের মধ্য দিয়ে “হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজ” আত্নপ্রকাশ করে।
অত্র গ্রামের সম্ভ্রান্ত পাটোয়ারী পরিবারের ক…তি সন্তান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক জনাব আব্দুল মমিন পাটোয়ারী সাহেব ছাত্র জীবন থেকে এই অঞ্চলে উ”চ শিক্ষা বিস্তারের জন্য একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেন। এই কলেজটিকে তাঁর “ব্রেইন চাইল্ড”বলা যেতে পারে। তাঁর কনিষ্ঠ ভ্রাতা জনাব কামাল হোসেন পাটোয়ারী আমেরিকা প্রবাসী বিশিষ্ট্য ব্যবসায়ী নিজস্ব জমিজমা ও অর্থায়নে তিনি এ কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। ১০১ শতাংশ জমির উত্তর পাশ ঘিরে সুদৃশ্য পাঁচ (৫) তলা ভবন ও সামনে বিস্তীর্ণ মাঠ। একঝাঁক তরুন শিক্ষক, সমস্ত আধুনিক সুযোগ সুবিধা প্রতিষ্ঠানটিকে একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিনত করবে বলে আশা করা যায়।
কলেজ প্রতিষ্ঠায় যাদের কাছে ক…তজ্ঞতা প্রকাশ না করলে কলেজের ইতিহাস পূর্ণতা পাবে না তাঁরা হলেন জনাব মো: জামাল নাছের (মাননীয় চেয়ারম্যান, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড), জনাব জহিরুল ইসলাম পাটোয়ারী (কলেজ পরিদর্শক), বিজন কুমার চক্রবর্তী (উপ-কলেজ পরিদর্শক), জনাব মেহেদী হাসান (উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা) প্রমূখ। অত্র গ্রামের জনাব আনিসুল হক, সফিউল্লাহ পাটোয়ারী এবং সর্বস্তরের জনগন তাঁদের শ্রম ঘাম দিয়ে কলেজ প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখেছেন।
পরম করুনাময় এবং অসীম দয়ায় এই কলেজ মানুষের জন্য কল্যানময় হউক।